নারীদের প্রতি নবী ও খলিফাদের যৌন সহিংসতার ইতিহাস

নারীদের প্রতি নবী ও খলিফাদের যৌন সহিংসতার ইতিহাস

মুসলমানের পবিত্র ধর্ম ইসলামে একটি শ্রেণী প্রশ্নের উর্ধ্বে। স্বয়ং অশরীরী লিঙ্গ পরিচয়হীন আল্লাহ, তাঁর নবী মুহাম্মদ ও অপরাপর নবীগণ ও নবীর পরবর্তী ইসলামের বিভিন্ন খলিফাগণ। এমন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের সংশয় এবং প্রশ্ন উত্থাপন করা অনুচিত।

ইসলামের এমন আকীদার পেছনের গল্পটা কি?

উপরোক্ত সমষ্টির বিষয়ে যেকোনো ধরণের সমালোচনা নাজায়েজ হিসেবে গণ্য করা হয়। যদি এতে অপকর্ম, যৌনতা, লুটতরাজ, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের মধ্যবর্তী বিষয়েরও অন্তর্ভুক্তি থাকে, এরপরও সমালোচনা নাজায়েজ। এতে মুসলমানের ধর্ম থাকে না, ঈমান হারায়; আরবের ধর্ম ইসলামে।

নবী মুহাম্মদ থেকে তাঁর খলিফাগণ, এরা প্রত্যেকেরই নারীর শরীরের প্রতি ছিলো অবাধ যৌন লালসা। সেখানে যুদ্ধে বন্দিনী থেকে নারী, শিশু এবং নাবালক ছেলেও অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এমন কি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমন সব ধর্ষণ  এবং নির্যাতন কান্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন স্বয়ং আল্লাহ নিজেই। দিয়েছেন ধর্ষণের চুরান্ত অনুমোদন। উদাহরণ হিসেবে নবি মুহাম্মদের ৬ বছরের শিশু আয়েশার সাথে বিবাহের নামে যৌন পীড়নের ঘটনাটি একজন নারী হিসেবে আমাকে নবি মুহাম্মদের প্রকাশ্যে লিঙ্গ কর্তনের মত স্পৃহা যোগায়। দাবী জানায়।

শুধুই কি নবী মুহাম্মদ একাই?

খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব জোরপূর্বক বিয়ে করেন উম্মে কুলসুমকে ধর্ষণ করেন বিয়েন নামে। যখন তাঁর বয়স মাত্র ১২ বছর। যখন উম্মে কুলসুমের ঋতুচক্রও শুরু হয়নি।

হায়াতুস সাহাবার গ্রন্থে আছে, যৌন বিকৃত উমর উম্মে কুলসুমকে জোর পূর্বক সহবাস করে। এবং আহলে বাইতের সাথে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপন এবং প্রবল ক্ষমতালোভী হযরত আলী নিজের নাবালিকা মেয়েকে উমরের কাছে অর্পণ করে। এবং উমর তার যৌনাঙ্গ পরীক্ষা করে তাঁর কুমারিত্ব নিশ্চিতের জন্য।

এপস্টিন নবী মুহাম্মদের এই ইসলাম নারীদের আত্মমর্যাদাকে শুধু অসম্মানিতই করেনি, করেছে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে হীন। ইসলাম পুরুষের অবাধ যৌনাচার, নারীদের পুরুষের ভোগ্যপন্য এবং সর্বক্ষেত্রে এমনকি কথিত বেহেস্তেও ৭২ হুরের সাথে পুরুষের গ্রুপ সেক্সের বার্তার মধ্য দিয়ে নারী মর্যাদাকে কলুষিত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *